রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন
একটি সেতুতে বদলে যেত হাজারো মানুষের জীবন চিত্র। খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার গুমতি ইউনিয়নের খরস্রোতা গুমতি খালের ওপর একটি সেতু নির্মিত হলে কষ্ট লাঘব হতো খালের ওপারের ৭টি গ্রামের বাসিন্দাদের।
স্বাধীনতার এত বছরেও এসব গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে উদ্যোগ নেয়নি কোনো কর্তৃপক্ষই।
এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি একটি মাত্র সেতু। তারা মনে করেন সেতুটি নির্মিত হলে তাদের আর কোন কষ্ট থাকবে না।
পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ির সীমান্তবর্তী মাটিরাঙ্গা উপজেলার একটি ইউনিয়ন ‘গুমতি’।
এই ইউনিয়নের অন্তর্গত পশ্চাৎপদ কয়েকটি পাহাড়ি গ্রামের জীবনযাত্রা খুবই নাজুক। বড়পাড়া, কেশব মহাজনপাড়া, সাজেক পাড়া, নতুন পাড়া, কুকিপাড়া, রাস্তা হাদুক, আমলা হাদুকসহ অন্তত ৭টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ‘গুমতি খাল’।
গুমতি বাজার, মাটিরাঙ্গা এবং খাগড়াছড়ির সঙ্গে যোগাযোগের জন্য গুমতি খাল অতিক্রম করেই যেতে হয়। খালের ওপর সেতু না থাকায় বিপাকে পড়তে হয় এসব এলাকার কয়েক হাজার মানুষের। শুষ্ক মৌসুমে মানুষ কোনোরকমে খাল পেরোলেও বর্ষায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে গোমতির পিছিয়ে থাকা এসব এলাকাগুলো।
বিশেষ করে এলাকার উৎপাদিত মালামাল বেচাকেনার জন্য বাজারে নিয়ে যেতে কষ্ট হয়। পাহাড়ে উৎপাদিত কলা, ধান, শাক-সবজি প্রভৃতি মাথায় ও ঘাড়ে নিয়ে যায় তারা। শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যেতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
এ ছাড়া গর্ভবর্তী মা ও শিশুর যাতায়াত এবং অসুস্থ লোকজনকে হাসপাতালে নিয়ে যেতেও কষ্টের সীমা থাকে না।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, সরকার আসে, সরকার যায়; বদলায় না তাদের ভাগ্য। স্বাধীনতার এত বছরেও গুমতির এসব দুর্গম এলাকার মানুষের দুঃখ লাঘবে একটি সেতু নির্মিত হয়নি।
এ বিষয়ে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম জানিয়েছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের ডিও লেটারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। তিনি আশা করছেন অচিরেই নির্মিত হবে সেতুটি।